Sunday, 29 November 2015

চুল কি কারনে পড়ে ! আপনি জানেন কি ?

চুল পড়া বন্ধ করার জন্য কত রকম মাস্ক, কত তেল, আরও কত কিছুই তো আপনারা ব্যবহার করেন। কিন্তু একটু সাবধানে থাকলেই আর নিয়ম মেনে চললেই এই চুল পড়া অনেকখানি কমিয়ে আনতে পারেন। এখানে এমন কয়েকটি অভ্যাস বা নিয়মের কথা তুলে ধরা হলো যা আপনার চুল কম পড়তে সহায়তা করবে।
০১. বালিশের কাভারঃ
সুতির তৈরি বালিশের কাভার ব্যবহার না করে সিল্কের তৈরি বালিশের কাভার ব্যবহার করুন। কারণ সুতির তৈরি কাপড়ের উপর আপনার চুল সারা রাত পড়ে থাকে আর তখন সুতির কাপড় আপনার চুলের সমস্ত ময়েশ্চার শুষে নেয়। ফলে চুল অনেক শুষ্ক হয়ে যায় আর বালিশের কাপড়ের সাথে ঘষা লেগে লেগে আরও বেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। সিল্কের কাপড় কখনও চুলের ময়েশ্চার শুষে নেয় না। তাছাড়া সিল্কের তৈরি বালিশের কাভার ব্যবহার করলে চুলে জট বাঁধবেনা।
০২. তোয়ালের ব্যবহারঃ
চুল শুকানোর জন্য তোয়ালে ব্যবহার না করে আপনার কোন পুরোনো টি শার্ট বা পুরোনো পরিষ্কার নরম কাপড় ব্যবহার করুন। কারণ সুতির বালিশের কাভারের মতই তোয়ালেও এক-ই ভাবে চুলের ময়েশ্চার শুষে নিয়ে চুল কে রুক্ষ এবং ভঙ্গুর করে তোলে।
০৩. চুলের আগাঃ
প্রতি ৬ সপ্তাহে চুলের আগা ছাঁটতে হবে কারণ দু মুখো চুল আপনার চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
০৪. ময়েশ্চারাইজিং শ্যাম্পুঃ
এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করুন যেটার মধ্যে ন্যাচারাল অয়েল থাকে। যেমন নারিকেল তেল, জ়োজ়োবা তেল।

০৫. ভেজা চুলে স্টাইলঃ

হালকা ভেজা চুল হলেও চুল ভালো মত শুকিয়ে চুল বাঁধতে হবে। আপনি যে ধরনের স্টাইলেই চুল বাঁধুন না কেন, তার আগে সম্পূর্ন চুল শুকিয়ে নিয়ে হবে।
০৬. চুল শুকানোঃ
হেয়ার ড্রায়ারের মাধ্যমে চুল না শুকিয়ে বাতাসে চুল শুকানোর চেষ্টা করুন। কারণ হেয়ার ড্রায়ারের গরম বাতাস আপনার চুলের জন্য ক্ষতিকর।
০৭. পনি টেইলঃ
মেয়েদের একটি কমন চুলের স্টাইল হচ্ছে পনি টেইল। যারা সব সময় টাইট পনি টেইল করে তাদের চুল বেশি পড়ে বা ভেঙ্গে যায়। তাই সব সময় পনি টেইল ঢিলা করে করবেন। ইলাস্টিক এর রাবার ব্যান্ড ব্যবহার করবেন না।
০৮. ঠিক মত খাওয়া দাওয়া করুনঃ
আপনার চুলের ভালো স্বাস্থ্যের জন্য ভালো ভাবে খাওয়া দাওয়া করুন। প্রচুর পরিমাণে ফল, পানীয় আর প্রোটিন খান। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হেয়ার ভিটামিন খেতে পারেন।
০৯. কন্ডিশনারের ব্যবহারঃ
ডিম কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করলে তা আপনার চুলের স্বাস্থ্য ভালো করতে সাহায্য করবে, কারণ ডিমে আছে প্রচুর প্রোটিন। চুলের ৭০ শতাংশই হলো keratin প্রোটিন। তাই ডিমের প্রোটিন ড্যামেজ হয়ে যাওয়া চুল কে আবার আগের মত সুন্দর অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম। ডিমের কন্ডিশনার আপনি খুব সহজেই প্রস্তুত করতে পারেন। প্রথমে একটি ডিম ভেঙ্গে তার সাথে ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মেশান। একটি কাঁটা চামাচ দিয়ে ভালো মত মেশাতে হবে। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ভালো মত ধুয়ে নিন। চুলের অতিরিক্ত পানি হাত দিয়ে চেপে চেপে ঝরিয়ে নিন। এরপর একটি শুকনো তোয়ালে দিয়ে একবার শুধু চুল গুলো চেপে ধরে আবার ছেড়ে দিন, কিন্তু চুল শুকানোর চেষ্টা করবেন না। এবার চুলের প্রতিটা অংশে ডিম আর অলিভ অয়েলের মিশ্রণ লাগান। যাদের চুলের আগা ফেটে যায় তারা চুলের আগায় ভালো মত লাগাবেন। এব্র একটি শাওয়ার ক্যাপ পরে নিন এবং ১০ – ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার ডিমের কন্ডিশনার ধুয়ে ফেলুন ভালো মত।
১০. চুল আঁচড়ানোঃ
ভেজা চুল আঁচড়ানো যাবে না। অনেকে গোসল শেষ করে চুল তোয়ালে দিয়ে মুছেই চুল আঁচড়ে নেন, কিন্তু এতে চুল অনেক বেশি পড়ে। কারণ ভেজা অবস্থায় চুলের গোড়া নরম থাকে। তাই ঐ সময় চুলে টান লাগলে চুল খুব সহজেই ভেঙ্গে পড়ে বা ঝরে পড়ে।
চুলে নিয়মিত তেল ম্যাসাজ করার পাশাপাশি এই নিয়ম গুলো মেনে চললে কোন ঝামেলা ছাড়াই চুল পড়া কমানো যায়।
সোর্স - http://www.shobdoneer.com/shapla/50303

সুন্দর হবার জন্য কিছু অসাধারণ টিপস ছেলে - মেয়ে উভয়ের জন্য !!!

আজ আপনাদের জন্য হাজির করলাম কিছু সৌন্দর্য্য টিপস। শুধু মেয়েরাই নয় ছেলেরাও এই টিপস গুলো অনুসরণ করে সুফল পেতে পারেন। কাজেই পড়ুন > কাজে লাগান > জানিয়ে দিন পৃথিবীকে আপনিও পারে সব জয় করতে।

টিপস:- ১
যতটা পারে রোদ থেকে বাঁচুন। ছাতা এবং সানগ্লাস ব্যবহার করুন।যখনই বাহিরে যাবেন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
টিপস:-২
যখনই সুইমিং পুল, সমুদ্রের ধারে বা বরফ পড়ে এমন জায়গায় যাবেন, তখনই সান স্ক্রিন লাগাবেন। কারণ জল বা বরফে সূর্যরশ্মি বেশি প্রফলিত হয়।
টিপস:- ৩
তিল বেটে নিন অথবা গুড়ো করে নিন। এতে সামান্য জল মিশিয়ে ছেঁকে নিন। একটা সাদা রঙের তরল পাবেন সেটা মুখে লাগান, বিশেষ করে রোদে পোড়া জায়গায় লাগান। ত্বক ফর্সা হয়ে যাবে।
টিপস:- ৪
ত্বকের রং আরও ফর্সা করার জন্য দই লাগান মুখে। মিনিট কুড়ি রাখুন। তারপরে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এরকম লাগাতে হবে।
টিপস:- ৫
নিয়মিত দুধ দিয়ে মুখ ধুয়ে মুছে ফেললেও ত্বক ফর্সা হয়।
টিপস:- ৬
যদি আপনার অয়েলি স্কিন হয় তা হলে ত্বক আরো উজ্জল ও আরো ফর্সা করার জন্য নিন্মলিখিত পদ্ধতি অনুকরণ করুনঃ
লেবুর রস আর ডিমের ডিমের সাদা অংশ সম পরিমাণে মেশান। তা মুখে লাগিয়ে রাখুন কুড়ি মিনিট এবং পরে ধুয়ে ফেলুন।
টিপস:- ৭
সারা গায়ের রং উজ্জল করতে বেসন, দই আর সামান্য হলুদ মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। স্নানের সময় সাবানের বদলে এটি ব্যবহার করুন নিয়মিত।
টিপস:- ৮
অনেক সময় হাত, পা, হাঁটু, কনুই কালো হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে আধ কাপ পেঁপের শাঁস, এক-চামচ তরমুজের রস, এক-চামচ লেবুর রস, আধখানা ডিমের সাদা অংশ, এক-চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। যেখানে প্রয়োজন এই মিশ্রণটি লাগান। শুকোতে দিন, তারপর ধুয়ে ফেলুন।
টিপস:- ৯
যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয়, দু চা-চামচ কাঁচা দুধ, দু চা-চামচ আলুর রস ঠান্ডা করে এটি ব্যবহার করুন ক্লেনজার হিসেবে।
টিপস:- ১০
শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে চন্দন, মালাই আর সামান্য হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে মুখে লাগান। ত্বক আরো উজ্জল এবং আরো ফর্সা হবে।
টিপস:- ১১
এক চিমটে জাফরান, কাঁচা দুধে মিশিয়ে মুখে লাগান প্রত্যেকদিন। পনেরো দিন ধরে।
টিপস:- ১২
যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত তাঁরা মুগের ডাল গুড়ো করে সামান্য জলে মিশিয়ে প্রত্যেক সপ্তাহে একদিন করে মুখ স্ক্রাব করুন। কারণ ত্বকের উপরে মরা কোষের পরত জমে মুখের ত্বক কালো দেখায়।
টিপস:- ১৩
তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা আরেকভাবে ফর্সা হতে পারেন। এক চা-চামচ কমলালেবুর শুকনো খোসা গুড়ো, এক চা-চামচ মেথি গুড়ো, ও কমলালেবুর রস দিয়ে মেখে নিন। এই মিশ্রণ মুখে ও গলায় লাগান। পরে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
টিপস:- ১৪
আধ টুকরো পাকা কলা নিন। ভাল ভাবে চটকে নিয়ে এতে কয়েক ফোঁটা শসার রস মেশান। এরপর মুখে লাগান প্রায় আধা ঘন্টার মত। ঠান্তা জলে ধুয়ে ফেলুন।
টিপস:- ১৫
যাঁদের ত্বক শুষ্ক তাঁরা এক চা-চামচ লাল মুসূর ডাল গুড়ো রাতভর দুধে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর মুখে ও গলায় মাখুন। বিশ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন।
টিপস:- ১৬
মেওয়া আর দুধ একসঙ্গে বেটে নিন। রোজ দু মিনিট করে এই মিশ্রণ মুখে ও গায়ে মাসাজ করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন শীতল জলে।
টিপস:- ১৭
সারা গায়ের ত্বক উজ্জল করতে বেসন ও খাঁটি সরষের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে স্নানের আগে সারা গায়ে মেখে নিন। মাখানো আবস্থায় আধ ঘন্টা রেখে স্নান করে ফেলুন।
টিপস:- ১৮
মধু আর কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে রাখুন মিনিট পনেরো। মধু যখন আপনার ত্বক উজ্জল করবে, লেবুর প্রাকৃতিক ব্লিচিং গুন ত্বককে করবে আরও ফর্সা।
টিপস:- ১৯
লক্ষ্য করে থাকবেন অনেক ফর্সা লোকেরও ঠোঁটের রং কালচে। কিন্তু সে জন্য কিছুমাত্র নিরাশ হবেন না। কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস, মধু ও মাসাজ ক্রীম মিশিয়ে দিনে দু’বার ঠোঁটে মাসাজ করলে মাস খানেকের মধ্যেই সুফল পাবেন। তবে ব্যবহারটা নিয়মিত ও নিষ্ঠার সাথে করতে হবে। এভাবে চোখের নিচের কালিও অপসারিত হবে।
টিপস:- ২০
হাতের কনুই, হাটু, পায়ের পাতার ত্বক কালো হলে খুব খারাপ দেখায়। কালো ছোপ পড়ে, চামড়া শক্ত হয়ে যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে দু-চমচ লবন, দু-চামচ চিনি আর এক চামচ খাবার সোডা একটা কাঁচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। প্রতিদিন পাতিলেবুর রস ও শসার রস বোতল থেকে অথবা মিশ্রণটি বের করে মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। এবার কালো হয়ে যাওয়া অংশে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। এরপর ভাল করে জল দিয়ে ধুয়ে সামান্য ক্রিম দিয়ে মাসাজ করে নিন।

সোর্স- http://www.shobdoneer.com

Tuesday, 27 October 2015